ব-এ বাজার ম-এ মানুষ

 

একজন নাট্য প্রেমী মানুষ প্রত্যেকটি মানুষের অন্তরতম সত্তা। যাঁরা সাংস্কৃতিক চর্চার সংস্পর্শে আছেন তাঁদের প্রত্যেকেরই নিজের ভিতর এক স্বতন্ত্র মানবিক সত্তা আছে।সেখানে মানুষ কোনো ঈশ্বর বা ব্রহ্ম নয়। সেখানে মানুষ কেবল মানুষ , হ্যাঁ মানুষ, জাতি বর্ণ গোত্র হীন এক মানুষ, মানুষ ,মানুষ। এই ভাবদর্শনে পৌঁছতে হলে আপনাকে আমাদের এ নাটক দেখতে হবে আর দেখার পর আপনি ভাবতে বাধ্য হবেন কি ভাবে আমরা একজন আদর্শ মানুষ হয়ে উঠতে পারি...... আর মাত্র দুদিন পর আমরা আসছি ।
(ব্রততী ভট্টাচার্য্য / মানবিক নাট্যগোষ্ঠী) ২৯ জুন, ২০২৩

১ লা জুলাই শরৎ সদনে এই নাটকের বেশ কিছু ছবি





























মাননীয় দর্শকবৃন্দদের প্রতিক্রিয়াঃ- আমাদের প্রাপ্তি-

১) গতকালের সন্ধ্যা টা অনেক দিন বাদে ভীষন ভালো কাটলো। এমন একটা নাটক দেখলাম যেটা মানুষের কথা বললো। পূঁজি বাদ ধনতন্ত্র নয়৷ মানুষ , মানুষ ই শেষ কথা বলবে। মানবিক গোষ্ঠী র প্রযোজনায় অসাধারণ নাটক মঞ্চস্থ হলো। রচনা ও নির্দেশনাতে ইন্দ্র জিৎ ঘোষ। নাটক- "ব-এ বাজার, ম-মানুষ।" অসাধারণ প্রযোজনা। মন কাড়লো।
~ অন্বেষা চ্যাটার্জী/শিক্ষিকা ।

২) গতকাল দেখে এলাম আমার দাদা ইন্দ্রজিৎ ঘোষ এর রচিত আর নির্দেশিত "মানবিক"- এর নাটক - " ব এ বাজার ম এ মানুষ " পুঁজিবাদ বনাম মার্কসবাদ এর প্রেক্ষাপট কে কেন্দ্র করে লেখা এই নাটকের সমালোচনা করার ধৃষ্টতা আমি করবো না, তবে নিজের দাদা বলে বলছিনা, এত মৌলিক চিন্তাভাবনা আর তার এত সুন্দর বাস্তবিক রুপায়ন কেবল মাত্র "মানবিক" গোষ্ঠীর পক্ষেই সম্ভব। সত্যিই মনকে নাড়িয়ে দিলো। এই জন্যেই হয়তো আগেকার দিনে নাটক আর যাত্রাপালার মাধ্যমে সমাজকে সঠিক পথ দেখানো হতো। আর অভিনয় প্রত্যেকের অসাধারণ, তবে ব্যক্তিগত ভাবে আমার কিছু পছন্দের চরিত্র হলো, হাওয়াবদল বিজ্ঞাপন সংস্থার দুই কর্পোরেট কর্মী ( মহিলা কর্মী আবার আমার বৌদি Bratati Bhattacharjee ), ভন্ড পুলিশ, চিরবসন্ত বাবু ওরফে "পুঁজি বাবু", দাদু এবং সর্বোপরি এলেবেলেমানুষের পার্টির মুখপাত্র আমার দাদা Indrajit Ghosh ।
~ অবন্তিকা ঘোষ /ইঞ্জিনিয়ার

৩) ১-৭-২৩ শরৎ সদন-২ 'মানবিক নাট্যগোষ্ঠীর' নাটক "ব-এ বাজার ম-এ মানুষ" দেখে খুব আনন্দ পেলাম। একটি মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ে ছিল আমার পুত্র দেবদীপ এবং বিশেষ ভাবে ব্রততী ম্যাডামের গলায় গান ও সুন্দর অভিনয়। অন্যান্য শিল্পীদের অভিনয় বেশ সাবলীল। রামদয়ালের চরিত্রটি বেশ উপভোগ্য, জ্যোতিষ, ব্যবসায়ী, পুলিশ বেশ মানানসই। ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের গানের সঙ্গে নৃত্য এবং অভিনয় বেশ উন্নত মানের। পরিচালক ইন্দ্র যে এত ভালো অভিনয় করে সেটা আমার জানা ছিল না প্রত্যাশাটা বাড়িয়ে দিলে ভাই। তোমাকে আমার অকুন্ঠ ভালোবাসা কি অভিনয়টা করে দেখালে ভাই শেষ দৃশ্যে। নাটক'টি বেশ ভালো এবং উপভোগ্য। সবাই কে জানাই অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।🙏
~ দেবানন্দ চ্যাটার্জী/নাট্যকর্মী।

৪) ইন্দ্রজিৎ ঘোষ রচিত ও নির্দেশিত "ব-এ বাজার ম-এ মানুষ" নাটকটির বুনন,প্রয়োগ প্রকৌশল ও অভিনয় এককথায় অনবদ্য। প্রবহমান ও পরিবর্তনশীল সময়ের এমন এক ক্রান্তিলগ্নে আমরা এসে পৌঁছেছি যেখানে মানুষের একমাত্র পরিচয় "আমিতো পঁয়তাল্লিশ নম্বরের"। পুঁজিবাদ ও পণ্যবাদী সভ্যতায় মানুষের একটাই পরিচয় -সে একটি পণ্য; তাকে নিয়েই গড়ে উঠবে বিপনন।নট-নাট্যকার ইন্দ্রজিৎ ঘোষ এর নাটক "ব-এ বাজার,ম-এ মানুষ" নাটকে এই সমকালীন অভিঘাত খুব সুতীব্র ভাবে প্রকাশিত। শিক্ষানীতি, রাজনীতি,ধর্ম সবেরই একটা নিজস্ব লক্ষ্য ও স্পন্দন রয়েছে কিন্তু কালের অমোঘ অভিঘাতে সবারই নিজস্বতা বিসর্জিত । মানুষকে পণ্য করে মানবতাকে করছে ধর্ষিত। আমরা চোখ থাকতেও অন্ধ,মুখ থাকতেও বোবা। গড্ডালিকা প্রবাহে ভাসিয়ে চলেছি বর্তমানকে।কালের পাঞ্চজন্য বেজে উঠেছে এই নাটকটির মধ্যে। শুধু পুঁজিবাদী সভ্যতার ভণ্ডামীকে বেআব্রু করা নয় ইতিহাসের সাপেক্ষে ভবিষ্যতে এগিয়ে চলার পথের স্বপ্নও দেখিয়েছেন নাট্যকার।এখন ব্যক্তিগত বদনা( ব্যক্তিস্বার্থ) থেকে বদন ঘুরিয়ে সমষ্টির ভাবনায় চালিত হোক সমাজ, নাহলে সমূলে নির্মূল হতে হবে।

~ দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য্য/ শিক্ষক ।

৫) বিগত ১লা জুলাই ২০২৩ , মানবিক নাট্য গোষ্ঠী আয়োজিত 'ব-এ বাজার ,ম-এ মানুষ' নাটকটি দেখে এলাম। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে মানবিক নাট্য গোষ্ঠী একবারেই স্রোতের বিপরীতে কাজ করেছে এ কথা বলাই যায়।সত্যকে আপোষ করে তারা নিজস্ব স্বার্থ সিদ্ধির কথা ভাবেনি বরং তারা জোর গলায় বলার সাহস দেখিয়েছে সমাজের নানা প্রতিবন্ধকতাকে। পুঁজিবাদের প্রকোপে মানুষ যে কতটা বিপন্ন সেই বিপন্নতার ছবি তুলে ধরেছেন নাট্যকার ,নাটককার ইন্দ্রজিৎ ঘোষ। নীরেন বাবুর 'উলঙ্গ রাজা' কবিতার ছোট্ট শিশুর মতোই পুঁজিবাদকে সদর্পে ঘোষণা করেছে 'রাজা তোর কাপড় কোথায়?' আসলে বর্তমান সমাজের পরিকাঠামো অনুযায়ী লোকের মুখোশ আর মুখকে আলাদা করা হয়ে পড়েছে কঠিন ব্যাধির মতো। জোঁকের মতো শুষে নিচ্ছে প্রান্তিক মানুষের, খেটে খাওয়া মানুষের কালঘাম। লোক ঠকানো স্ট‍্যাটিজি , ধর্মের নামে বুজরুকি দিয়ে মানুষকে বস করে রেখেছে উচ্চপদস্থ সবাই।ফলে মানুষ হারাচ্ছে সরলতা, কুটিল পাশবিকতা মানুষের মজ্জায় মিশছে দিনের পর দিন । অন্ধকারে মানুষ খুন করতে যে হাত কাঁপছে না ।সে হাতই আবার হয়ে উঠছে দিনের বেলায় ভগবানের হাত। প্রগতির হাত। নাটক মঞ্চায়নের জন্য প্রতিটি নাট্যকর্মীর অভিনয়ই যথেষ্ট চোখে পড়ার মতো । তবে দীর্ঘদিন বাদে যে মঞ্চে ফেরা তার হালকা একটা ছাপ পড়েছে নাটকটির ওপর। যদিও তাদের এই উৎসাহ ও নাটক করার তাগিদ এই ছাপকে ছাপিয়ে আগামীর পথে ভীষণ ভালো কিছু করবে এ আমার বিশ্বাস। একই ভাবে মঞ্চের আবহ আদান প্রদান এবং প্রপস ব্যবহারের ব্যাপারটা বিশেষ ভাবে ভেবে দেখার জন্য অনুরোধ করলাম। আগামীর শুভেচ্ছা জানিয়ে,
~ সুশান্ত অধিকারী।
০৪.০৭.২০২৩

৬) গত ১লা জুলাই ২০২৩, (শনিবার), শরৎ সদনে আয়োজিত হয়েছিল ’মানবিক'- এর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধেয় Indrajit ঘোষ (স্যার)-এর রচনা ও নির্দেশনায় 'ব-এ বাজার ম-এ মানুষ' নাটকটি। নাটকটির মধ্যে দিয়ে আমরা দেখতে পাই, নাট্যকারের কথা ধার করেই বলি, বাজার অর্থনীতির বিকট হাঁ-মুখ কিভাবে গিলে খাচ্ছে আমাদের সমূহ অস্তিত্ব ও যাপন তার এক বাস্তব নিদর্শন। নাটকটির উপস্থাপনা, অভিনয় নিয়ে যতই প্রশংসা করা হোক না কেন কোথাও না কোথাও ঠিক কম পরেই যায়। ওই যে কথায় আছে না, আমাকে ভাবায় সুকুমার রায়। ঠিক তেমনই ভাবিয়েছে উক্ত নাটকটি। এখনকার দিনে দাঁড়িয়ে মানুষকে মানুষ বলে গণ্য নয়, বরং পণ্য ভাবা হয়। যখন ‘হাওয়া বদল' এর মতো বিজ্ঞাপন সংস্থার ছদ্মবেশী কর্মীরা চোখে কী দেখে? যে কোনো রক্ত মাংসের মানুষ আসছে নাকি অর্থ স্বয়ং হেঁটে হেঁটে আসছে। নাটকটিতে ভিন্ন চরিত্রের মধ্যে দিয়ে যেমন নাট্যকার নিজস্ব ভাবনার বহিঃপ্রকাশ করেছেন ঠিক তেমনই একটি সামান্য বস্তু অর্থাৎ 'রামদয়ালবাবু'র ওই ‘বদনা'টিকেও ভোগবাদী ব্যক্তি স্বার্থপরতার চূড়ান্ত নগ্নতার প্রতীক হিসাবে উপস্থাপন করেছেন। প্রত্যেক নাট্যাভিনেতা ও নৃত্যশিল্পী তাদের সমস্তটা উজাড় করে দিয়েছেন নাটকটিতে। অনেক নতুন অভিনেতা উপহার দিয়েছে এই নাটকটি। তবে নতুন হওয়ার সত্ত্বেও দেবদীপ এর অভিনয় দেখে তা বোঝার উপায় নেই। কিন্তু কোথাও গিয়ে সলিলেশ বাবুর অভিনয় এবং পৌলমীর নৃত্য আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। খুব সম্ভবত ২০১৮ বা ২০১৯ (সঠিক মনে করতে পারছিনা) সালে একই স্থানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল উক্ত নাট্যগোষ্ঠীর প্রযোজনায় এবং ইন্দ্রজিৎ ঘোষ মহাশয়ের রচনা ও পরিচালনায় ‘মুক্তমনের মুক্তধারা' নাটকটি। এই নাটকের সুবাদেই প্রথম Bratati ম্যামের গান শোনার সুযোগ পায়। তারপর আর সৌভাগ্য হয়নি। এবার আলোচিত নাটকের প্রথম গান মঞ্চের নেপথ্যে শুরু হয়। শুরুর সাথে সাথেই আমার সাবকনসাস মাইন্ড বলে ‘এটা সেই গলাটা'। ঠিক তার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে গান গাইতে গাইতেই ম্যাডামের মঞ্চে প্রবেশ। সর্বোপরি নির্দেশক ও নাট্যকারকে অসংখ্য ধন্যবাদ সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদের প্রচারক ওঠা ছদ্মবেশী রাজনৈতিক চরিত্রের মধ্যে দিয়ে সমাজের আরশিটাকে দর্শকের সামনে মেলে ধরার জন্য। পাশাপাশি সকল নাট্যকর্মীদের জন্য রইল একরাশ শুভকামনা ও ভালোবাসা। এবারের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ত্রুটিগুলিতে প্রলেপ লাগিয়ে আগামীতে 'মানবিক' এক নজির স্থাপন করবে এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আমার লেখার মধ্যে ভুল ত্রুটি মার্জনীয়। ধন্যবাদ 🙏🏻 ~ পম্পা মাজি/ সংস্কৃতিপ্রেমি ।

৭) গত ১ লা জুলাই শরৎ সদন প্রেক্ষাগৃহ ২ তে অনুষ্ঠিত হলো ' মানবিক ' এর প্রযোজনায় একটি অসাধারণ নাটক ' ব - এ বাজার, ম - এ মানুষ। আজকের সামাজিক অবক্ষয়, বাজার অর্থনীতি আর দিশাহীন মানুষের দিশা খোঁজার একটি অনন্য প্রয়াস এই নাটক টি। এই নাটকটির রচয়িতা, নির্দেশক এবং চরিত্রাভিনেতা শ্রী ইন্দ্রজিৎ ঘোষ মহাশয় কে প্রথমেই জানাই অনেক শুভেচ্ছা আর অভিনন্দন এই অসাধারণ প্রয়াস এবং বলিষ্ঠ মতামত প্রকাশের জন্য। তিনি যে ভাবনা নিয়ে নাটক টি মঞ্চস্থ করেছেন তাতে যে তিনি সফল এটা নির্দ্ধিধায় বলা যেত পারে। হয়তো কিছু ক্ষেত্রে তাঁর ভাবনার বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে, বিতর্ক হতে পারে তবে সেগুলো নিছক গৌণ এবং নাটকটি সফলভাবে রূপায়ণের ক্ষেত্রে কোনো ভাবেই বাধা হতে পারে না। বিষয় টি নিয়ে সত্যিই ভাবায়। পরবর্তী তে মানুষ কী ভাবে দিশা পাবে তার একটি রাস্তা তিনি নাটকটির মধ্যে তুলে ধরেছেন। আর এই খানেই বলার যে তিনি যে চরিত্র গুলির মাধ্যমে এই দিকনির্দেশ এর চেষ্টা করেছেন সেই চরিত্র গুলো একেবারেই জীবন্ত রূপ নিয়েছে নির্দেশনার গুনে। প্রধান যে দুই চরিত্র কে তিনি দর্শকের সামনে এনে নিজস্ব ভাবনা কে বোঝাতে শুরু করেছেন সেই দুটি চরিত্রই ( কর্পোরেট বিজ্ঞাপন সংস্থা) এক কথায় অনবদ্য। নাটকটির pillar বলা যেতে পারে চরিত্র দুটি কে। কী অসাধারণ অভিনয় তারা উপহার দিয়েছেন দর্শকদের তার জন্য কোনো প্রশংসা ই যথেষ্ট নয়। ব্রততী একজন খুব গুণী মানুষ, গুণী শিল্পী এটা আমার অজানা নয় কিন্তু তাঁর পাশাপাশি যে তরুণ অভিনেতা কে দেখলাম ( মাফ করবেন নাম মনে নেই) এককথায় অপূর্ব। শুনলাম এইটি নাকি তার প্রথম অভিনয়। অনেক বড়ো থিয়েটার এর জগৎ তার জন্য অপেক্ষা করছে একজন সাধারণ থিয়েটার প্রেমী এবং কর্মী হিসেবে এটা আমার উপলব্ধি। পাশাপাশি দাদুর চরিত্রে যিনি অভিনয় করেছেন তিনি তাঁর মঞ্চ উপস্থিতিকে এক অনন্য রূপ দান করেছেন। কী সাবলীল ভাবে তিনি মঞ্চে বিরাজ করেছেন এটা ভোলার নয়। দর্শক ওনার বাচন ভঙ্গি যে খুব উপভোগ করেছেন বলাই বাহুল্য। অনেক ধন্যবাদ তাকে। এছাড়া নির্দেশক ও নাট্যকার নিজেই একটি প্রধান চরিত্রে ছিলেন সেই চরিত্র টি তার অনেক চিন্তা ভাবনার ফসল। তিনটি ভিন্ন স্তর ছিলো তার চরিত্র টিতে। কী সফলভাবে তিনি সাবলীলতা দিয়ে ভরিয়ে দিয়েছেন চরিত্রটিকে। এছাড়া প্রত্যেকের কথাই বলবো যে প্রত্যেকেই তাদের নিজের নিজের চরিত্রে অসাধারণ ছিলেন। একটা দল হিসেবেই তাদের সেরা টা দর্শকদের উপহার দিয়েছেন প্রতিটি অভিনেতা। এখানেই নির্দেশক এর মুনশিয়ানা। ব্রততী র কণ্ঠে গান গুলি বড়ই উপভোগ্য ছিলো সেই সঙ্গে প্রকৃতির আবহ সঙ্গীত এ অনেক নতুনত্বের স্বাদ পেলাম।অনেক অভিনন্দন প্রকৃতিকে। আর অবশ্যই মঞ্চে যাঁরা নৃত্য পরিবেশন করেছেন তারাও অনবদ্য। সকলের নাম জানা না থাকায় হয়তো তাদের নাম উল্লেখ করতে পারলাম না। এই নাটকের সমস্ত কুশি লব কে আমার অনেক শুভেচ্ছা,অভিনন্দন ও ভালোবাসা। আবার আগামীর অপেক্ষায় রইলাম।ভালো থাকবেন সকলে। ~ সন্দীপ চ্যাটার্জী / নাট্যকর্মী।

Comments

Popular posts from this blog

ব্ল্যাকহোল

দেবদ্রোহী মধুসূদন, ম-এ মন্থন এবং টর্চলাইট

রূপকথা ও চুপকথা এবং ভয়